Updates from Mohammed Abdulhaque RSS Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • Mohammed Abdulhaque 3:20 pm on April 2, 2012 Permalink | Reply
    Tags: রাজনিতী   

    সুবর্ণ সুযোগ 

    দেশবাসি! আমাকে একটা সুবর্ণ সুযোগ দাও, আমি আমার চোদ্দগুষ্টিকে কোটিপতি করতে চাই। শত কোটির কসম, আমি সবার হাতে একটা করে টুকনি দেব, দুয়ারে দুয়ারে ভিক্ষা করার জন্য। অশান্তির কসম, ঝাড়ু দিয়ে ঝেড়ে আমি দেশ থেকে শান্তিকে চিরতরে খেদাব। মাত্র একটি বার আমাকে দেশের প্রধানমন্ত্রী বানাও। ক্ষমতার কসম, সব ক্ষমতাবানকে আমি অক্ষম করে ফেলব। আমার দলে যোগ দিয়ে আমাকে ক্ষমতার অধিকারি করুন, আমি আপনাদেরকে অসহায় করে দেশকে রসাতলে নিয়ে যাব। শকুনে যেমন করে চামড়ার ভেতর গলা ঢুকিয়ে মাংস খায় আমিও তেমন করে দেশের সব সম্পদ খাব। মোটা পেটের কসম! আমি একাই সব ধনসম্পদ হজম করব, একটা ঢেকুর দেব না।
    আমাকে একটি বার দেশের হর্তাকর্তার দায়িত্ব দিন। দায়িত্বশীলতার কসম, আমি উপযাচক হয়ে সবার দায়িত্ব একাই আদায় করব। অসহায়ত্বের কসম, আমি গ্রামবাংলার হাসি আনন্দ সৌন্দর্যকে ধ্বংস করে দেব। মাত্র একটি বার ভোট দিয়ে আমাকে জয়ি করুন।

    স্বর্গ হাতে পেয় সুখসম্পদ লাভ করলে আমি সোনার অলংকারাদি দিয়ে আমার মূর্তি প্রতিটি রাস্তায় বসাব। যাহাতে কেউ আমারে ভুলে নায় যায়।
    আমি কি করলাম তা বড় কথা নয়, বড় কথা হল দেশ এবং েদশবাসী আমার জন্য কি করল। এই কথা সবাইকে বিশ্বাস করাব।
    যথেষ্ট হয়েছে আজ আর পারব না। গলা এবং হাতে ব্যথা হচ্ছে।

     
  • Mohammed Abdulhaque 12:27 pm on April 2, 2012 Permalink | Reply
    Tags: বানান এবং ব্যাকরণ!   

    বানান এবং ব্যাকরণ!
    ভাষা সাহিত্য এবং সৃজনশীলতা।
    মাতৃভাষা, রাষ্ট্রভাষা, স্থানীয় ভাষা, লিখত ভাষা, কথিত ভাষা, সাধুভাষা, চলিত ভাষা, প্রচলিত ভাষা, প্রাচীনভাষা, মার্জিত ভাষা, অপভাষা, গুরুচণ্ডালি। আরো অনেক গুলা আছে।
    সংস্কৃতি, কৃষ্টি বা কালচার।
    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শব্দটা আমাদের প্রায় সবার কাছে পরিচিত হলে এর আসল অর্থ আমরা সবাই জানি না।
    সাংস্কৃতিক, সংস্কৃতিমণ্ডল। সংস্কৃতিমনস্কতা। সভ্যতা, রুচি বা সুরুচি অথবা রুচিশীলতা।
    সৃজন, রচনা সৃজনশীলতা, রচনাশৈলী বা রচনাভঙ্গি। সৃজ্যমান। সৃজনশীল।
    ব্যাকরণ কি, ভাষি নিয়ামক শাস্ত্র, শব্দবু্যৎপাদক শাস্ত্র।
    বাক্য; সরল যৌগিক, জটিল। বাক্যগঠন বাক্যবিশ্লেষণ।
    বাচ্য, কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য কর্মকর্তৃবাচ্য। আরো অনেক আছে।
    এখন আমরা যা নিয়ে মাথা ঘামাব তা হল, সাধারণ মানুষ এবং সাধারণ ব্যকারণ।
    আমি ভাত খাব।
    আকাশে আজ চাঁদ দেখা যাচ্ছে না।
    এই দুইটা লাইনে সাধারণ ব্যাকরণ ঠিক আছে। তবে ২ নং সংল্পাটা আরো জটিল করা যাবে।
    দেখা যাচ্ছে না চাঁদ আজ আকাশে। আজ আকাশে চাঁদ দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু আমি ভাত খাব। এটাকে ছোট করা যাবে, যেমন ভাত খাবো। আমি এখন ভাত খাব।
    আমি যা বলতে চাইছি তা হল, সাধারণ ব্যকারণ জনসাধরণে ব্যবহার করেন এবং ব্যাকরণকে সাধারণ রাখাই উত্তম।
    যদিও ছন্দে লেখা হয় কবিতা সাহিত্যের আওতার ভেতরে। বিধায় সাধারণ ব্যাকরণ ব্যবহার করতে হবে এবং মানতে হবে। লেখার বানান শুদ্ধ করলে ব্যাকরণ ঠিক হয়ে যায়। কারণ বানান ঠিক করার সময় আবার পড়তে হয় এবং প্রথমবারে ব্যাকরন ভুল থাকেলে পরের বার তা ঠিক হয়ে যায়।

    কবিমন পলকে দুনিয়া ঘুরে দেখতে পারে,
    কবি পুলকিত হয় যখন বসে নদীর পাড়ে।

    হঠাৎ আমার বুকের ভেতর দুড়ুম করে ওঠেছে, জানি না ওটা আশঙ্কা না আনন্দ!

    ব্যাকরণের অর্থ, মানিয়ে এবং মিলিয়ে ব্যবহার করা।

    অপ-শব্দ [ apa-śabda ] বি. 1 অপভ্রংশ; বিকৃত শব্দ; 2 ব্যাকরণদুষ্ট শব্দ; 3 অশ্লীল শব্দ। [সং. অপ (=অপকৃষ্ট) + শব্দ]।

     
c
compose new post
j
next post/next comment
k
previous post/previous comment
r
reply
e
edit
o
show/hide comments
t
go to top
l
go to login
h
show/hide help
shift + esc
cancel
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.