
প্রথম আলো যার ইংলিস হলো “The first light” ইংলিস বাক্যটা লিখার কারণ আছে, তা আমি আমাকে দিয়েই শুরু করি, ভালো হবে। জানি আমার এই লেখা কারো হয়তো পড়া হবে না, তবে এই পোস্টটি লিখার কারণ সঞ্চালক সাহেব আমাকে বলেছিলেন “ব্লগ সঞ্চালক০৩ নভেম্বর ২০১০, ২০:৪২
কবিতা লেখা যাবে না পলাশ মিঞা। গদ্যে লিখতে হবে।”
আমি কবি বা লেখক নয় তবে লেখা আমার নেশা। আমি লিখতে ভালোবাসি, শব্দের সাগরে ডুব দিলে আমি রুদ্ধশ্বাস হই না, আমি সহযে শ্বাস টানতে পারি, তাই আমি লিখতে ভালোবাসি।
আমি পত্রিকায় লিখি না এবং পড়তেও পছন্দ করি তাই মাথা ঘামাই না এবং না ঘামানোর কারণ, আসল খবর কোনো কালেই প্রকাশ হয়নি হয়তো হবেও না। যে সব খবর প্রথম পাতায় শিরোণাম হয় তা আসলে খবর নয় হয়তো কোনো ঘটনা ঘটনাক্রমে সাংবাদিকের চোখে পড়েছে, অথবা কথার ফাকে কানে বেজেছে, যা পরের দিন শিরোণামে শুভা পায় বা পেয়েছে। সাংবাদিকতা মুখের কথা নয়। জানবাজি করে সংবাদ সংগ্রহ করতে হয়। আর আমাদের দেশে এমন কয়জন সাংবাদিক আছেন যারা Front line থেকে সংবাদ দিয়েছেন বা দেন? মাঝে মাঝে আমি খবর দেখি বা পত্রিকা পড়ি, আমি হাসি আর মনে মনে বলি, আরে তালকানারা বাস্তবতা দেখার চেষ্টা করো, তোমাদের কাজ হলো সত্য প্রকাশ করা, গোপন করা নয়!!? দেশের কয়টা সাংবাদিক সাংবাদিকতার নিয়ম কানুন মানে বা জানে?
আমি যে দেশে আছি এই দেশের সাংবাদিককে প্রধানমন্ত্রিও ভয় পায়, কারণ ওরা সত্য জানতে চায় এবং চোখের দিকে তাকিয়ে সত্য বলতে ভয় পায় না। আমাদেরে দেশে যারা খবর পড়ে বা খবর সংগ্রহ করে ওরা তো পুরাণ খবর দেয়, তাজা খবর ওরা সংগ্রহ করতে পারে না, ভয় পায়, যদি মরে যাই!! তখন টাকা কে খাবে? টাকা বা সুনামের জন্য সাংবাদিকরা জানবাজি করে সংবাদ সংগ্রহে যায় না, ওরা সত্যের সন্ধানে যায়। সত্য হলো কয়লার মাঝে কালো হীরা, যা সহযে দেখা যায় না।
সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশ করতে শুরু করলে দেশ থেকে অন্যায় এবং কাকতালিয় ন্যায় দূর হয়ে যাবে। জনসাধারণ ন্যায় পাবে, ঘোষ দিয়ে অধিকার আদায়ের জন্য কাউকে মিনতি করতে হবে না। অসহায়রা থোড়াই সুখ পাবে, হাভাতেরা দু বেলা না পেলেও অনন্ত এক বেলা পেট ভরে চারটা ভাত খেতে পারবে।
রাজ পথে নারী নির্যাতিত হয় তোমরা কিছু করতে পার না। তোমাদের চোখের সামনে শিশু মারা যায় তোমরা তাকে সাহায্য করতে পার না। তোমরা জানো কোথায় কি হচ্ছে কিন্তু তোমরা তা প্রকাশ করতে ভয় পাও। যদি কাজ চলে যায়, যদি উপরওয়ালার আসল পরিচয় বেরিয়ে আসে তখন খামোখা জানটা যাবে।
আর হ্যাঁ, সাংবাদিকরা নতুন মোবাইল দেখাবার জন্য ক্যামেরার সামনে মোবাইল নাড়াছড়া করে না, আর সুন্দরীরা সাজগুজ করে কি বলবে কি না নিয়ে চিন্তা করে না।
আমাদের নারী সাংবাদিকদেরকে দেখলে মনে হয় ওরা যেন বরের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ায়।
খুবই হাস্যকর। তাদের কাণ্ডকারখানা দেখলে আমার পেটের ভেতর কেমন করে, কাতুকুতু হয়, আমি তাদের ঢং দেখার জন্য আর টিভির সামনে বসি না, ঘেন্না হয়!!!
কি বলবে কি না, তা ওরা জানে না। গণ্ডমূর্খরা যেমন ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালে ঢং করে আমাদের সাংবাদিকরা তাদের চেয়েও বড়ো ঢংগী। কি বলে কি করে তা ওরা নিজেরাই জানে না। আর দুনিয়ার যত কঠিন শব্দ আছে তা ওরা ব্যবহার করে। কেউ বুঝতে চাইলেও বুঝতে পারে না। কারণ সবার ঘরে আমার মতো ১৩ খান অভিধান নেই।
আর কোনো মন্ত্রীর গুনগান গাইতে দিলেতো সেরেছে, তিল কে তাল আর বালুকে পাত্থর বানিয়ে বলতে ওরা খুব পছন্দ করে। গড়গড়া মুখস্থ করেও ওরা খবর পড়ার সময় ভুল করে।
হায়রে আমার পুড়া কপাল, মলম দিয়েও চড়চড়ি কমাতে পারলাম না! শোন, তোমরা সত্যের সন্ধানি হও। কাজ যখন ধরেছ তখন কাজি হও। সত্য বলার সময় মিথ্যার পশ্রয় নিয় না, আর যদি পার না তা হলে অত্যাচারির গোলাম হয়ে থাকো, কেউ কিছু বলবে না, কারণ গোলামদের কথা কেউ শোনে না।
আমি হলাম বানান ভুলের্রাজা, বানান ভুল ধরা পড়লে নিজে শুদ্ধ করে নেবেন।
ধন্যবাদ।