কদমালী

বেচারা কদমালী। ছোটা কাল থেকে চিন্তা করে প্রায় বুড়া হতে শুরু করেছে কিন্তু কমলাকে মনের কথা আজো বলতে পারেনি, তার বুক কাপে, সাহসে কুলায় না।

আজ কমলার নাতনীর সই তার সামন দিয়ে ঠাঁট টমক ঠসক করে হেঁটে যাবার সময় চোখ েটপা দিয়ে বলেছিল, ‘ও কদমালী! তোমার এ দেশা হল কেমন করে?’
‘আমার বগলে আয় কানে কানে জাবাব দেয়। আয়।’
‘ও নানী, এই লোকটার সাথে যৌবন কাটালে কেমন করে। চোট্টা কোথাকার!’
‘আমি তোরে কতদিন বলেছি আমার নাতনীর সই হয়ে আমাকে নাম ধলে ডাকিস না আমার মাথা গরম হয়ে যায়। আজ আবার নাম ধরে ডেকেছিস। দাড়া তোরা সাথে কুষ্টির মিল করতে হবে।’
‘ও নানী, কদমকে সালাও নতুবা সমস্যা হবে।’
‘তোর এত সাহস হল কবে লো!’ বলে কমলা মুগুর একটা হাতে নিয়ে ঘর বেরিয়ে আসলে নাতনী দৌড়ে পালাল।
নাতনী চলে গেলে কদমালী রেগে ফোলে কদমতলায় এসে ধসাপ করে বসে চিৎকার করে বলল, ‘ঔ কমলা! আমার হুক্কাট নিয়ে আয়।’
কমলা যখন হুক্কা নিয়ে আসছিল তখন নতানীর সই নাইরলতলা থেকে উঁকি দিয়ে হেঁকে বলল, ‘ও কদমালী! একটা কিস্সা শুনাও।’
‘আমার বগলে আয় আজ তোকে পিরিতির কিস্সা শোনাব। আয় আমার উরে আয়।’ বলে কদম দাঁতে দাঁত পিষে হাত দিেয় ইশারা করল।
এমন সময় হুক্কা নিয়ে কমলা আসলে কদম রেগে ফুঁস ফুঁস করে বলল, ‘আমি বিয়ে আরেক খান করতে চাই।’

যাক গল্প এখানে শেষ।

Advertisement

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Connecting to %s